সোমবার, ২৭ মার্চ, ২০২৩

বাদল সরকার এর "সার্কাস" অবলম্বনে বিভাবন এর সাম্প্রতিক অন্তরঙ্গ নাটক "ফ্যালারাম"

ছবি - "ফ্যালারাম" নাটক থেকে

বাদল সরকার এর "সার্কাস" নাটক থেকে তৈরি বিভাবন এর সাম্প্রতিক অন্তরঙ্গ নাটক  "ফ্যালারাম" নাটক দেখার পর বিশিষ্ট অভিনেত্রী সুচেতনা দে তার মূল্যবান রিভিউ দেন যা রঙ্গ থিয়েটার তাদের পাঠকদের মধ্যে তুলে ধরল। 

"Felaram" is a play  of Bibhaban directed by Supriyo Samajdar. The play has three characters Felu (Saptarshi Bhowmik),Ratna (Shipra Mukherjee)and  Kumar (Swarnendu Sen) .Felu portrays the  youth of the society, Rotna who is in the emotional turmoil of self search and Kumar is middle aged person who is persistent and consistent. Kumar is the character interacts both with Ratna and Felu.Ratna is emotional and  when  she is in peoblem ,turmoils, agony ,wants to share something she always makes it a point to talk to Kumar. Kumar likes Ratna. Kumar is male chauvinist person ,he likes Ratna but for his ego never expresses her. 

Ratna is always interested in her own self rather than anything else that is going on in the society. Ratna is emotional , non-practical  and wants the world to be weaved by her thoughts. Kumar on the other hand is practical standing matured person portrayed in the Play. Felu the most interesting and consistent character in the entire play. The lights designed and the stage positioning and the props gives a feel  of Echoes of voice all around the intimate place. Felu has lot of vengeance towards the society.  He left his passion started walking to work his own development. He started reading books in the library. He made the world of books his own world now. On the other hand the world is full of competition and convergence of thoughts and emotions realistic problem continues. Ratna is on the edge of her own existence. 

The portrayal of Kumar is the man of the society  who absorbs all the problem and sustains in the most difficult time with a smile ,he never gives up and keep finding ways to live . The play depicts dignity the  the society ,the sanguinity and the sanctity of the entire system being corrupt at present and the anger ,wrath boils in the youth of  society . The play is realistic approach towards today's  society. It has not only psychological message but also a strong political message in the Play. 

The play is very well portrayed by director Supriyo Samajdar who has tried to work on Badal Sarkar Circus through Felaram.The play is in  the process budding new thoughts in the society regarding the existence of a man or a woman. The probability of the play is to advocate conditions society the conditions of the human mind  which is in constant rivalry between each other. Display is innovation the actors as characters in the Play is very well designed by the director. And the light design effects  are quiet meaningful  intimate space. May Felaram reach intimate spaces of Bengal and the world. Let theatre live through Felaram. 




*****

আপনাদের নাট্য সমালোচনা আমাদের E-mail করুন - rangatheatre2020@gmail.com 


👉 সৌরভ আচার্য - 8981358700 👈

👉 মনোজিৎ মিত্র - 9836664155 👈

শনিবার, ২৫ মার্চ, ২০২৩

যাদবপুর রম্যানীর নাটক "হারানের নাতজামাই" আমাদের আধুনিকতাকে যেন নতুন করে ভাবাল


এসময় যখন আমরা একটা যুগোপযোগী শিল্পের ভাষা খুঁজছি, কীভাবে ঠিক আজকের এই দিনের সংকটগুলো ধরতে পারা যায় তার তত্ত্বতালাশ চালিয়ে যাচ্ছি, তখন একটা প্রশ্নের সামনে এসে বারবার ধাক্কা খাই আমি। খোঁজ নিঃসন্দেহে জরুরী , কিন্তু আমাদের শ্রোতা কিংবা দর্শকদের আমাদের অক্ষম র‍্যাবিট-টেস্টের ফসলগুলোকেই একটা চকচকে মোড়কের আড়ালে প্রতিদিন তুলে দিচ্ছিনা তো? শুধু OTT সংস্কৃতি আর ইন্সটা-ফেসবুকযাপনই কি আমাদের বই, ছবি, মননশীল সিনেমা বা থিয়েটার থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিচ্ছে, না এর পেছনে দায় আমাদেরও?

এর প্রমিত উত্তর আমার এখনও জানা নেই। তবে, রোববার বিকেলে মধুসূদন মঞ্চে যাদবপুর রম্যানীর  "হারানের নাতজামাই" নাটক দেখতে দেখতে এর একটা চমৎকার antithesis পাওয়া গেল। একটা পুরোনো দিনের নাটকের ধাঁচে, পুরোনো দিনের গল্প বলতে বলতেও যে আজকের সময়ের ক্রাইসিসগুলো চটজলদি ধরে ফেলা যায়, তা দেখিয়ে দিল আমাকে এই নাটক।

৮৬ বছর বয়সে অরুণ মুখোপাধ্যায় আবার একটি নাটকের নির্দেশক। সত্যি বলতে একজন মানুষ এই বয়সে কীভাবে এই প্রাণশক্তি পান আর তার কতটা প্রতিফলন স্টেজে অভিনয়ে এবং নাট্য নির্মাণে ধরা পড়ে – এই অভিজ্ঞতার সামনে নতজানু হতেই সেদিন সন্ধ্যেবেলা যাওয়া। সঙ্গীতা পাল দি’র পোষ্টে এই নাটকের অভিনয়ের খবর পেয়ে এক মুহূর্ত দেরী করিনি। অনলাইন টিকিট কেটেছিলাম।

বিরতিসহ আড়াই ঘণ্টার দীর্ঘ এই নাটক আমাদের ধরে রাখতে পারল তাহলে? যে সময়ে দাঁড়িয়ে একটা তিরিশ মিনিটের ক্লাস, ১৫০০ শব্দের ছোটগল্প কিংবা ১৫ মিনিটের বিশ্লেষণ ধর্মী আলোচনা আমাদের অনেক প্রলম্বিত বলে মনে হয় বলেই Five minutes class, micro fiction বা YouTube/Instagram shorts-র মত genre গুলোর উদ্ভাবন- সেসময় দাঁড়িয়ে এমন একটা (দুঃ)সাহসী পদক্ষেপ?

হ্যাঁ, এই নাটক দেখতে গিয়ে আদ্যোপান্ত একটা প্রযত্নের সামনে (যেটা সচরাচর পাইনা এখন) থমকে ছিলাম আমি। মঞ্চ নির্মাণ, অভিনয়, আলো, লোকগানের এবং বিশেষ করে কোন pre-recorded আবহের বদলের সম্পূর্ণ অর্গানিক আবহের ব্যবহার – প্রত্যেক বিষয়েই এই নাটক যেন আজকের যেকোন নির্মাতা /শিক্ষার্থীর কাছে একটা crash course-র মডেল। কিন্তু একজন দর্শক হিসেবে আমি কী দেখছি? মঞ্চে আলো জ্বলে উঠলে আমার চোখে পড়ছে মঞ্ছসজ্জার অংশ হিসেবে একটি ঝুলন্ত লাঙ্গল যা এই নাটকের প্রেক্ষাপটের (তেভাগা আন্দোলন) উপস্থাপক। এই লাঙ্গল বারবার জ্বলে ওঠে ভাগচাষীদের আত্মপ্রত্যয়ের কথা বলতে, জোতদারদের নির্মমতার কথা বলতে। অনেক রক্তক্ষরণের গল্প সরাসরি বলা হয়না এই নাটকে। শুধু ময়না, ময়নার মা, বোষ্টমীর মত নারীচরিত্রেরা জীবনের প্রতিটি নিষ্ঠুরতার সামনে একবার গুঁড়িয়ে যেতে যেতে, রক্তাক্ত হতে হতে মাথা উঁচু করার সাহস পায়। নারীস্বাতন্ত্রের নাটক না হয়েও এই নাটকের ক্লাইম্যাক্সে যেন এরই জয়। 

অভিনয় এ নাটকের সম্পদ। মেঘনাদ ভট্টাচার্য, শান্তিলাল মুখোপাধ্যায় বা সৌমিত্র  বসুরা তো বটেই কিন্তু একজন সক্ষম নির্দেশক যে আসলে সমস্ত অভিনেতাদের দিয়েই তাদের সেরা অভিনয়টুকু নিংড়ে নিতে পারেন, তা এই নাটক আরেকবার প্রমাণ করে। সামগ্রিকভাবে কারও অভিনয়ের কোন নির্দিষ্ট দুর্বলতাই চোখে পড়েনা। সমস্ত চরিত্রই যেন এক তারে কথা বলে, গেয়ে ওঠে ঠিক ঠিক হারমোনিয়াম, বাঁশি আর খোলের সাথে গলা মিলিয়ে। বেসুরো ঠেকেনা একটুও। তবে, মঞ্চসজ্জার কথা আলাদা করে বলতেই হয়। আপাতসাধারণ এই মঞ্চই আলো নিভে গেলে হয়ে ওঠে একটা ক্যানভাস। সারা স্টেজ জুড়ে তখন তেভাগা আন্দোলনের ছবি।

আজ এই গল্প কেন? কারণ, এই নাটক আসলে একটা মূল্যবোধ, টাকার বিনিময়ে নিজেকে বিকিয়ে না দেওয়া এবং আমাদের বৃহত্তর অস্তিত্বের কথা বলে। বলে আরো বেঁধে –বেঁধে থাকা এখনও প্রাসঙ্গিক। দক্ষিণপন্থার এই প্রবল সময়ে সুন্দর থাকা, একসাথে নিজেদের অধিকারটুকু অফিসে, বাজারে, পাড়াতে সংরক্ষিত করা এবং একে অন্যের পাশাপাশি থাকা কোন লোক দেখানো বিষয় নয় বরং একটা ন্যূনতম প্রয়োজন এসব বুঝিয়ে দেয় এই নাটক আমাদের। “আর কত ছোট হব ঈশ্বর?” কেনই বা হব? 

এই নাটক দেখা প্রয়োজন। কারণ, কিছু কথা বারবার বলা আজও প্রাসঙ্গিক। যারা ভুলে যান, তাদের মনে করিয়ে দিতে হয়। এই নাটক আমাদের সেটাই করায়, যেমন সবসময়েই একটা সময়ের গুরুত্বপূর্ণ শৈল্পিক কাজগুলো করে এসেছে।




*****

আপনাদের নাট্য সমালোচনা আমাদের E-mail করুন - rangatheatre2020@gmail.com 


👉 সৌরভ আচার্য - 8981358700 👈

👉 মনোজিৎ মিত্র - 9836664155 👈

সোমবার, ২০ মার্চ, ২০২৩

আড়িয়াদহ নাট্যপীঠের কর্ণ রিটার্ন- ক্লাসিক বারে বারে ফিরে আসে

থিয়েটার হল দৃশ্যকাব্যের খেলা। প্রতিমুহূর্তে কাব্য ( টেক্সট ) যেন দৃশ্যে রূপান্তরিত হতে থাকে। এটা একটা নাট্য নির্মাণের প্রসেস। গত 27 শে ফেব্রুয়ারি মিনার্ভা থিয়েটার হলে অভিনীত হল মহাকবি ভাস রচিত 'কর্নভরম' অনুসরণে আড়িয়াদহ নাট্যপীঠের নতুন নাটক "কর্ণ রিটার্ন"। যেখানে নাটকের প্রথম দৃশ্য থেকে শেষ দৃশ্য অব্দি আলো, আবহ, প্রপার্টিস, শ্যাডো ও হিউম্যান ফিগারের ব্যবহার করে নির্দেশক একটির পর একটি দৃশ্য তৈরি করে গেলেন। 

এটি একটি কনটেম্পোরারি ক্লাসিক নাট্যনির্মাণ। মহাভারত (ক্লাসিক) ও বর্তমান ভারত (কন্টেম্পরারি) সময়কে পাশাপাশি মঞ্চ উপস্থাপনার চেষ্টা করা হয়েছে । মহাবীর কর্ণ একজন মহাভারতের চরিত্র হলেও, নাটকের নির্দেশক তার নাট্য ভাবনার মধ্য দিয়ে তাকে বারে বারে, এই ভারতে, এই সমাজে ফিরিয়ে এনেছেন। এখানেই তার ভাবনার কৃতিত্ব। যুগে যুগে কর্ণদের উপর যেভাবে অন্যায়, অবিচার হয়ে আসছে, তাদের যেভাবে বারে বারে বঞ্চিত ও লাঞ্ছিত হতে হয়েছে, তার ছবি নাটকের প্রতিটা দৃশ্যে ফুটে উঠেছে। এখানে প্রথম ভাগে মহাকবি ভাস রচিত কর্ণভারমকে অর্থাৎ কর্ণের জীবন, সংগ্রাম, আত্মত্যাগকে তুলে ধরা হয়েছে । এই অংশটিতে ক্লাসিক্যাল থিয়েটারের ফরম্যাটকে অনুসরণ করা হয়েছে। 

এই পর্বের শেষে অর্থাৎ কর্ণের যুদ্ধ যাত্রার পরেই নাটকটিতে সম্পূর্ণ উল্টো দৃশ্য দেখা যায় । নির্দেশক এখানেই চমক দেখান । নাটকের মঞ্চ, পোশাক ,আবহ, প্রপার্টিস সবকিছুতে মুহূর্তের মধ্যে পরিবর্তন ঘটে যায়। সব কিছু মুহূর্তের মধ্যে আধুনিক হয়ে ওঠে। পরিচয় হয় এ যুগের কর্ণ, টাইমপাসের সঙ্গে। নামটা ইন্টারেস্টিং তাই না ? এরপরে কি হল জানতে হলে আপনাকে এই নাটকের পরবর্তী অভিনয় দেখতেই হবে। 

নাটকের প্রথম দৃশ্য মানে কুন্তীর কর্ণকে নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার দৃশ্য থেকেই পরতে পরতে রয়েছে চমক।  রিয়েলিটি শো গুলির আসল চেহারা সাহসিকতার সঙ্গে তুলে ধরেছেন নির্দেশক । মিউজিক ও আলোর যুগলবন্দি একাধিক অসাধারণ দৃশ্য তৈরি করে। খুব সুন্দরভাবে আলো ও মিউজিককে নির্দেশক ব্যবহার করেছেন এই নাটকে । আর খুব ভালো লেগেছে এযুগের কর্ণ মানে টাইম পাস এবং তার সাথীর গলায় অসাধারণ লাইভ সং। এছাড়া প্রপাটিস ও স্যাডোর ব্যবহার করে বেশ কয়েকটি সুন্দর দৃশ্য তৈরি করা হয়েছে রয়েছে । রয়েছে কালারিপয়ট্টু ও মার্শাল আর্টের প্রয়োগ। এই দুটিকে ব্যবহার করে যেভাবে কর্ণের বড় হয়ে ওঠাতে দেখানো হয়েছে, এক কথায় লাজবাব । 

প্রথম পর্বে মঞ্চে নীল,লাল প্রভৃতি রঙের কাপড়কে  ব্যবহার করে কি সুন্দর দৃশ্য তৈরি করা হয়েছে, তেমনি দ্বিতীয় পর্বে তিনটি কিউবকে বারে বারে নানা ভাবে, নানা রূপে যেভাবে ব্যবহার করে একাধিক দৃশ্য তৈরি করা হচ্ছিল, এগুলো নির্দেশকের মুন্সিয়ানাকেই তুলে ধরে। ব্যাকড্রপটি নাটকটিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করছিল । 

নাটকের টাইটেল সং লিখেছেন রাধা কৃষ্ণদেব নস্কর। সুর ও কন্ঠ সুরজিৎ চক্রবর্তী । মিউজিক অ্যারেঞ্জ পরিচয় মাঝি । আলো শিলাদিত্য বড়াল এবং আবহ প্রক্ষেপনে সম্রাট মন্ডল। ব্যাকড্রপ ঈশান কর্মকার। প্রতিটি অভিনেতা ও অভিনেত্রী তাদের চরিত্রগুলি ফুটিয়ে তোলার যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন । কর্ণ ও জিষ্ণুর চরিত্রে সুরজিৎ চক্রবর্তী, শল্য ও টাইমপাসের চরিত্রে রৌনক চৌধুরী, ইন্দ্র ও মিউজিক কোম্পানির মালিকের চরিত্র অসীম ভট্টাচার্য, সূত্রধর কৃষ্ণা ও পাগলির চরিত্রে পৃথা ভট্টাচার্য, কুন্তি ও তাপসীর চরিত্রে অনামিকা সাহা, কর্ণের প্রতিপক্ষ ও রিয়েলিটি শোয়ের জাজের চরিত্রে শান্তনু মন্ডল, ঐ রিয়েলিটি শোয়ের জাজের চরিত্রে রাখি সুকুল, কর্ণের বাল্যকালের চরিত্রে শুভজিৎ। যারা এখনো এই নাটকটি দেখেননি তাদের অবশ্যই একবার নাটকটি দেখার অনুরোধ রইলো।




*****

আপনাদের নাট্য সমালোচনা আমাদের E-mail করুন - rangatheatre2020@gmail.com 


👉 সৌরভ আচার্য - 8981358700 👈

👉 মনোজিৎ মিত্র - 9836664155 👈

রবিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৩

THEATRE ADVERTISEMENTS....


এই নাট্যোৎসবের শেষদিন অর্থাৎ ২৭ শে মার্চ বিশ্ব নাট্যদিবসে মোট ৪টি নাটক থাকছে। প্রথম উপস্থাপনা থাকছে কোলকাতা রঙ্গশীর্ষের নতুন নাটক 'ভাসান'। এরপরের প্রযোজনাগুলি থাকছে ক্যান্ডিড থিয়েটারের 'রতনপুর', টেন্থ প্ল্যানেটের "বীজ" এবং বিভাবনের "ব্ল্যাক কফি" । ইউথোপিয়ার এই তিনদিনের নাট্যোৎসবের সার্বিক শুভকামনা জানাই। 




বৃহস্পতিবার, ১৬ মার্চ, ২০২৩

বালি শ্রমজীবী পাঠশালায় অনুষ্ঠিত হল অন্তরঙ্গ নাট্য উৎসব

বালি শ্রমজীবী পাঠশালায় অনুষ্ঠিত হল অন্তরঙ্গ নাট্য উৎসব
নাটক ' জনিতৃ '

গত 12 ই মার্চ, রবিবার বালি ঘাট এর কাছাকাছি শ্রমজীবী পাঠশালা এর অন্তরঙ্গ নাট্য উৎসবে অনুষ্ঠিত হলো দুটি নাটক । প্রথমে ছিল নিউব্যারাকপুর দৃশ্যান্তন এর নাটক ' জনিতৃ ' এবং দ্বিতীয় নাটক ছিল রঙ্গশীর্ষের ' ভাসান '।

জনিতৃ নাটকটি সমাজে চিরকালীন আদ্যোপান্ত নারীদের অবস্থানের কথা বলে। আমরা একটা টালমাটাল সময়ের মধ্যে দিয়ে চলেছি, সবটাই যেন আপেক্ষিক। তথাকথিত সমাজে যে ব্রাত্য বিষয় গুলো ক্রমশ দানা বাঁধছে সেগুলো কিছুই হয়তো নতুন নয়, বহুচর্চিত পুরাতনের মোড়কে ঢাকা। "জনিতৃ" তথাকথিত এই সমাজের অতি সাধারণ মেয়েদের কথাই বলে যায় বারবার। নাটক টির মূল কেন্দ্রে অভিনয় করেছেন শৌভিক ঘোষ এবং তাকে যথাযথ সঙ্গত দিয়েছেন স্মৃতি ভদ্র এবং অনিরুদ্ধ লোধ। প্রত্যেকের মিলিত প্রয়াস এ নাটকটি সকলের কাছে ভীষণ গ্রহণযোগ্য হয়েছে। নাটকে বিভিন্ন মন্ত্রের ব্যবহার এবং বিভিন্ন বাদ্যের ব্যবহার নাটক টির গুণগত মান বৃদ্ধি করেছে। নাটকের পোশাক ও ছিল বেশ ভালো, সাদা কালো সমাজের প্রতিচ্ছবি ই ব্যক্ত হয়েছে। নাটকটির লেখনী এবং নির্দেশনা করেছেন শৌভিক ঘোষ। নাটকটির যে ছবি মঞ্চে অঙ্কিত হয়েছে সেটি নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে। অসংখ্য দর্শকের ভালোবাসা নাটকটির গ্রহণযোগ্যতার প্রমাণ স্বরূপ। 

বালি শ্রমজীবী পাঠশালায় অনুষ্ঠিত হল অন্তরঙ্গ নাট্য উৎসব
নাটক 'ভাসান'

শেষ নাটক ছিল রঙ্গশীর্ষের 'ভাসান'। নবারুণ ভট্টাচার্য এবং স্যামুয়েল বার্কলে বেকেটর রচনা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে এই নাটকের নাট্যরূপ দিয়েছেন অর্পিতা দাশগুপ্ত।  সমকালীন সমাজের এক অনন্য ছবি এই নাটকে ফুটে উঠেছে। নাটকটির অভিনয় এই নাটকের সম্পদ। নাট্য কেন্দ্রে ছিলেন পৃথা ভট্টাচার্য্য এবং মনোজিৎ মিত্র। নির্দেশনা দিয়েছেন মনোজিৎ মিত্র। আবহ প্রক্ষেপণে ছিল সৌরভ আচার্য।

উক্ত দিনে দর্শকের সংখ্যা ছিল দেখার মতোন। ভিড় করে নাটক দেখার এই অনুভূতি নাটকের দল গুলিকে উৎসাহ জোগায়।



*****

আপনাদের নাট্য সমালোচনা আমাদের E-mail করুন - rangatheatre2020@gmail.com 


👉 সৌরভ আচার্য - 8981358700 👈

👉 মনোজিৎ মিত্র - 9836664155 👈

শুক্রবার, ১০ মার্চ, ২০২৩

ইউথোপিয়া নাট্য দলের নবতম প্রযোজনা "সাড়ে তিন"

ইউথোপিয়া নাট্য দলের নবতম প্রযোজনা "সাড়ে তিন"
স্থিরচিত্র - "সাড়ে তিন" নাটক থেকে 

থিয়েটার বরাবরই সময় এর কথা বলে এসেছে, আর এই সময়ের কথা বললেই এখন উঠে আসবে ইউথোপিয়ার "সাড়ে তিন" প্রযোজনাটির নাম। সম্প্রতি মিনার্ভা থিয়েটারে মঞ্চস্থ হলো এই নাটকটি। ইউথোপিয়া নাট্য দলের নবতম প্রযোজনা এটি যেখানে কিছু তরুন ছেলে মেয়ে তাদের অভিনয় দিয়ে নিঃসন্দেহে জিতে নিয়েছে উপস্থিত দর্শকদের মন । 

ইউথোপিয়া নাট্য দলের নবতম প্রযোজনা "সাড়ে তিন"

স্থিরচিত্র - "সাড়ে তিন" নাটক থেকে 

থিয়েটারে মিউজিক আর আলো কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা এই নাটকটি দেখলে স্পষ্ট হয়।  এছাড়াও এই নাটকের অন্যতম আকর্ষণ ছিল - পাপেট, মাইম, শ্যাডো এবং নিঃশব্দতার কথা বলেছে শব্দ করে। নাটকটির ভাবনা, মঞ্চ ও নির্দেশনার দায়িত্বে ছিলেন শুভ চট্টোপাধ্যায়। সঙ্গীত দেবদীপ মুখার্জি। আবহ ভাবনা সৌরদীপ ব্যানার্জি ও আবহ প্রক্ষেপণ সঙ্গম রায়। কোরিওগ্রাফি দিব্যশ্রী‌ সরকার ও ঈশান মুখার্জি এবং পোশাক পরিকল্পনা দিব্যশ্রী‌ সরকার ও সৌত্রী দাস। আলো করেছেন সৈকত মান্না ও সাহেব সান্যাল। পাপেট এর দায়িত্বে ছিলেন জগমোহন মন্ডল। 

নাটকটিতে অভিনয় করেছেন বিশ্ব, আরমান মোল্লা, রুকসানা খাতুন, আমিনা খাতুন, সুনয়ন মুখার্জি, সৌরদীপ ব্যানার্জি, সঞ্জীব শিল, সৌত্রী দাস, দিব্যশ্রী সারকার, ঈশান কর্মকার, অনির্বাণ ভট্টাচার্য, বাবাই হাজরা, ঈশান মুখার্জি, রাজেশ শিং ও দিশারী মুখার্জি। প্রত্যেক অভিনেতা তাদের নিজের মতো করে অভিনয়শৈলী দিয়ে দর্শকদের মনোরঞ্জন করার চেষ্টা করেছেন। 

ইউথোপিয়া নাট্য দলের নবতম প্রযোজনা "সাড়ে তিন"

সর্বোপরি হাসি মজার মাধ্যমে প্রথম শো হিসেবে "সাড়ে তিন" নাটকটি দর্শকমন জিতে নিয়েছে । তবে প্রিমিয়ার শো' হিসেবে কিছু ভুলভ্রান্তি থাকলেও আশা করি পরবর্তী শো আরো ভালো ও দর্শকমনগ্রাহী হয়ে উঠবে । ইউথোপিয়া নাট্য দল এবং প্রত্যেক শিল্পীবৃন্দকে পরবর্তী প্রযোজনার জন্যে অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইলো। 




*****

আপনাদের নাট্য সমালোচনা আমাদের E-mail করুন - rangatheatre2020@gmail.com 


👉 সৌরভ আচার্য - 8981358700 👈

👉 মনোজিৎ মিত্র - 9836664155 👈

মঙ্গলবার, ৭ মার্চ, ২০২৩

অদ্বিক নাট্যদলের নবতম প্রযোজনা "Last Night"

অদ্বিক নাট্যদলের নবতম প্রযোজনা "Last Night"
ছবি - "Last Night" নাটক থেকে

সম্প্রতি Theatre evening আয়োজিত নাট্য সন্ধ্যায় মঞ্চস্থ হল  "অদ্বিক" নাট্যদলের নবতম প্রযোজনা "LAST NIGHT"। জঁ-পল সার্তে  - এর ছোটগল্প "দ্যা ওয়াল" অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে নাটকটি। নাটকটি রচনা ও নির্দেশনা  ঈশান কর্মকার। নাটকটিতে এই সময়ের কথা উঠে এসেছে। তিনজন চরিত্র যাদের একত্রে একটা ঘরে বন্দি করে রাখা হয়েছে। পরদিন সকালেই তাদের হত্যা করা হবে। শেষ রাতে তারা তাদের জীবনের কথা বলে যেখান থেকে এদের সম্পর্কে আমরা জানতে পারি। তাদের জীবন, রাজনীতি, আন্দোলন, স্বপ্ন এইসব ঘটনাই এই নাটকের মূল বিষয়। 

নাটকটিতে অভিনয় করেছেন মানসী কুণ্ড , বিজয়া কর্মকার, রাজদেব দাস ও সৌরদীপ ব্যানার্জি। , তিনিটি মুখ্য চরিত্র। প্রাপ্তি, মেঘা, জয়। প্রাপ্তি চরিত্রে অভিনয় করেছেন মানসী কুণ্ড । তার অভিনয়ের মাঝের নীরবতা এই নাটকের মূল সম্পদ যা একজন দক্ষ অভিনেতা ছাড়া কখনই সম্ভব নয়। তার গলায় একটি গান আছে। সেই গানটি খুবই সুন্দর ভাবে তিনি উপস্থাপনা করেন। মেঘা চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিজয়া কর্মকার। তার অভিনয় দর্শক দ্বারা খুবই প্রশংসিত হয়েছে। সৌরদীপের গলার আওয়াজ খুবই সুন্দর, যা বহুদিন দর্শকদের মনে গেঁথে থাকবে। রাজদেব দাস -কেও ছোট চরিত্র হলেও বিশেষ ভাবে চোখে পড়েছে,তাকেও অভিনেতা রূপে আগামীর জন্য অনেক শুভেচ্ছা। 

এই নাটকটির অন্যতম উল্লেখযোগ্য বিষয় হল এই নাটকটির আবহ, আলো ও মঞ্চ। নাটকটির আবহ করেছেন দিশারী মুখার্জি। আলো করেছেন সাহেব সান্যাল। আলোক পরিকল্পনা থেকে প্রক্ষেপণ খুবই সুন্দর। তার এই আলো ছাড়া নাটকটি অসম্পূর্ণ থেকে যায়। মঞ্চ ভাবনা মানসী কুণ্ড ও নির্মান করেছেন সমীর পাত্র, বিজয়া কর্মকার ও মানসী কুণ্ড । 

তবে নাটকটি কিছু কিছু জায়গায় একটু শ্লথ মনে হয়েছে,যার ফলে নাটকটির সময়সীমাও অনেকটা বেশি হয়ে গেছে। আশা করি, নাটকটি আরো একটু গতি পেলে এক অন্য মাত্রা পাবে। সর্বোপরি, পরবর্তীকালে এই নাটকের আরো প্রযোজনা হোক এই আশা রাখি আর সকল অভিনেতা অভিনেত্রী এবং নির্দেশকের জন্য অনেক শুভেচ্ছা। 




*****

আপনাদের নাট্য সমালোচনা আমাদের E-mail করুন - rangatheatre2020@gmail.com 


👉 সৌরভ আচার্য - 8981358700 👈

👉 মনোজিৎ মিত্র - 9836664155 👈

রবিবার, ৫ মার্চ, ২০২৩

তৃপ্তি মিত্র নাট্যগৃহে কোলকাতা রঙ্গশীর্ষের ৬ বছরের প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করা হলো

৫ই মার্চ তৃপ্তি মিত্র নাট্যগৃহে আয়োজিত হতে চলেছে কোলকাতা রঙ্গশীর্ষের ৬ বছরের  প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে একদিনের নাট্যানুষ্ঠান । উক্ত অনুষ্ঠানে কোলকাতা রঙ্গশীর্ষ কর্তৃক অন্তরঙ্গ সম্মাননা জানানো হবে বর্তমানে  বাংলা তথা ভারতীয় থিয়েটারের দুই স্বনামধন্য ব্যক্তিত্বদ্বয় শ্রদ্ধেয় শ্রী মনীশ মিত্র মহাশয় এবং শ্রী রঞ্জন বোস মহাশয়কে। 


তৃপ্তি মিত্র নাট্যগৃহে কোলকাতা রঙ্গশীর্ষের ৬ বছরের প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করা হলো
অনুষ্ঠান সূচি

৫ই মার্চ পশ্চিমবঙ্গ নাট্য আকাদেমি'র অন্তরঙ্গ স্পেস তৃপ্তি মিত্র নাট্যগৃহে কোলকাতা রঙ্গশীর্ষের ৬ বছরের প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠান শুরু হবে বিকাল ৫ ঘটিকায় । ওইদিনের অনুষ্ঠানসূচীতে গুণীজন অন্তরঙ্গ সম্মাননার পাশাপাশি থাকছে ২ টি নাটক ।

প্রথম নাটক হিসেবে উপস্থাপিত হবে কোলকাতা রঙ্গশীর্ষের নতুন প্রযোজনা - "ভাসান" । নির্দেশক মনোজিৎ মিত্রের সাথে অভিনয়ে আছেন পৃথা ভট্টাচার্য এবং দ্বিতীয় নাটক থাকছে কসবা অর্ঘ্য প্রযোজিত এবং শ্রী মনীশ মিত্র নির্দেশিত "ম্যাকবেথ বাদ্য" । এই নাটকে একক অভিনয়ে থাকছেন কৌস্তভ গুপ্ত ।

সকলের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা এবং সকল শুভান্যুধ্যায়ীদের ভালোবাসা ও সাপোর্টে কোলকাতা রঙ্গশীর্ষ ৬ বছরে পদার্পণ করতে চলেছে। নানান ঘাত-প্রতিঘাত, উত্থান-পতন ও নানাবিধ প্রতিবন্ধকতাকে অতিক্রম করে শুধুমাত্র থিয়েটারকে জীবন করে রঙ্গশীর্ষ তাদের নাট্যধব্জা উড্ডীন করে এগিয়ে চলেছে । 

রঙ্গশীর্ষের এই থিয়েটার চর্চার ৬ বছরে তাদের নতুন প্রয়াস "রঙ্গ থিয়েটার" নামক এই ডিজিটাল পোর্টাল যেখানে শুধুমাত্র বাংলা নাটক ও থিয়েটার বিষয়ক নানান তথ্যাদি, নাট্য সমালোচনা, নাট্যচিত্র, নাট্যপুস্তকসহ নাট্য বিষয়ক নানাবিধ উদ্যোগ গ্রহন করেছে। তাই বরাবরের মতো সকলের ভালোবাসা ও সাপোর্টে আশা করি কোলকাতা রঙ্গশীর্ষের এই নতুন প্রয়াস বাংলা থিয়েটারের জন্যে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে একটি মহাফেজখানা হয়ে উঠতে পারে। 

কোলকাতা রঙ্গশীর্ষের পক্ষ থেকে ওইদিন সকলের আমন্ত্রন রইলো। আশা করি, এক সুন্দর স্বর্ণময় নাট্য সন্ধ্যার সাক্ষী হতে চলেছে নাট্যপ্রেমী দর্শকবৃন্দ । 




*****

আপনাদের নাট্য সমালোচনা আমাদের E-mail করুন - rangatheatre2020@gmail.com 


👉 সৌরভ আচার্য - 8981358700 👈

👉 মনোজিৎ মিত্র - 9836664155 👈

নাট্য পুস্তক

"

বাঙালির রঙ্গব্যঙ্গচর্চা

"



বিস্তারিত জানুন



"
বাংলা আবসার্ড নাটক (বিংশ -একবিংশ শতাব্দী)

 "

বিস্তারিত দেখুন


"

নাটক সমগ্র(Natok Samagra)

"


বিস্তারিত দেখুন

"

২৫টি ছোটদের নাটক

"


বিস্তারিত দেখুন 


"

ডাকঘর - নাটক ও নাটকের গান

"


বিস্তারিত দেখুন 


"

নাটক - মুঠো বাক্সে শিক্ষা 

"


বিস্তারিত দেখুন




বিঃ দ্রঃ - আরো নতুন নতুন পুস্তকের উৎস খুব শীঘ্রই প্রকাশিত হবে । আপনার নাট্যপুস্তক আমাদের ওয়েব পোর্টালে প্রকাশ করতে চাইলে যোগাযোগ করুন - rangatheatre2020@gmail.com 



অন্তরঙ্গ নাট্য গ্যালারি - কোলকাতা রঙ্গশীর্ষ

নাটক - ইতি মৃণাল
প্রযোজনা - কোলকাতা রঙ্গশীর্ষ
নির্দেশনা - মনোজিৎ মিত্র


নাটক - ভাসান
প্রযোজনা - কোলকাতা রঙ্গশীর্ষ
নির্দেশনা - মনোজিৎ মিত্র

স্থিরচিত্র - "ভাসান" নাটক থেকে
 

নাটক - ত্রসানু
প্রযোজনা - কোলকাতা রঙ্গশীর্ষ
নির্দেশনা - মনোজিৎ মিত্র


স্থিরচিত্র - "ত্রসানু" নাটক থেকে


প্রসেনিয়াম নাট্য গ্যালারি - কোলকাতা রঙ্গশীর্ষ

নাটক - ডিটেকটিভ দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে
প্রযোজনা - কোলকাতা রঙ্গশীর্ষ
নির্দেশনা - মনোজিৎ মিত্র






নাটক - অপরাজিতার আখ্যান
প্রযোজনা - কোলকাতা রঙ্গশীর্ষ
নির্দেশনা - মনোজিৎ মিত্র




নাটক - আবার ছত্রান্বেষী
প্রযোজনা - কোলকাতা রঙ্গশীর্ষ
নির্দেশনা - মনোজিৎ মিত্র


শিশু নাট্য - সাহসের গান
প্রযোজনা - কোলকাতা রঙ্গশীর্ষ
নির্দেশনা - মনোজিৎ মিত্র ও পৃথা ভট্টাচার্য


নাটক - কালিকা
প্রযোজনা - কোলকাতা রঙ্গশীর্ষ
নির্দেশনা - মনোজিৎ মিত্র


নাটক - উৎসর্জন
প্রযোজনা - কোলকাতা রঙ্গশীর্ষ
নির্দেশনা - মনোজিৎ মিত্র

স্থিরচিত্র - "উৎসর্জন" নাটক থেকে


নাটক - নৈনং দহতি পাবকঃ 
প্রযোজনা - কোলকাতা রঙ্গশীর্ষ
নির্দেশনা - মনোজিৎ মিত্র


স্থিরচিত্র - "নৈনং দহতি পাবকঃ" নাটক থেকে


নাটক - দ্বেষলাই
প্রযোজনা - কোলকাতা রঙ্গশীর্ষ
নির্দেশনা - মনোজিৎ মিত্র

স্থিরচিত্র - "দ্বেষলাই" নাটক থেকে


নাটক - ছত্রান্বেষী
প্রযোজনা - কোলকাতা রঙ্গশীর্ষ
নির্দেশনা - মনোজিৎ মিত্র

স্থিরচিত্র - "ছত্রান্বেষী" নাটক থেকে


নাটক - অগ্নিকন
প্রযোজনা - কোলকাতা রঙ্গশীর্ষ
নির্দেশনা - মনোজিৎ মিত্র

স্থিরচিত্র - "অগ্নিকন" নাটক থেকে 


নাটক - বোহেমিয়া
প্রযোজনা - কোলকাতা রঙ্গশীর্ষ
নির্দেশনা - পৃথা ভট্টাচার্য

স্থিরচিত্র - "বোহেমিয়া" নাটক থেকে 



নাটক - কেকয় কন্যা
প্রযোজনা - কোলকাতা রঙ্গশীর্ষ
নির্দেশনা - মনোজিৎ মিত্র