গত ৯ই মে শুক্রবার রবীন্দ্রজয়ন্তী পালন করেন "কোলকাতা রঙ্গশীর্ষ" প্রতিবছরের ন্যায় এই অনুষ্ঠানটির একটি নাম দেওয়া হয়। এইবারের নামটি হল "চরণে প্রণামে ভানু"... এবং গত কিছু বছরের মতোই একটি থিমের ওপর এই অনুষ্ঠানটি উদযাপন করা হয় এইবার ছিল নীল-সাদা.... যেহেতু রবীন্দ্রনাথ প্রকৃতিপ্রেমী ছিলেন সবুজের মতন নীল ও প্রকৃতির মধ্যে পড়ে যেমন নীল আকাশ সাথে ভেসে বেড়ায় সাদা তুলোর মতন মেঘ ঠিক তেমনই ভাবনার মধ্য দিয়ে এই কবি প্রণামের আয়োজন করা হয়।
প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি শুরু করা হয়.. এরপর নাচ, গান , আবৃত্তি, নাটক শ্রুতি নাটক ও কবিতা কোলাজ এর মধ্য দিয়ে "রঙ্গশীর্ষ" অনুষ্ঠানটি পরিবেশন করেন...
সকলের সাথে খোলা আকাশের নিচে এই রবীন্দ্রজয়ন্তীর অনুষ্ঠানটি এক অন্য মাত্রা নিয়েছিল।
আমরা বাঙালিরা চেষ্টা করি ঠাকুর পরিবারে সেই সময় যেরকম আসর জমতো বিশিষ্টদের সমাগম... ঠিক সেই রকমই পরম্পরা "কোলকাতা রঙ্গশীর্ষ" বজায় রেখে চলেছে এবং ঠিক প্রতি বছর রবীন্দ্রজয়ন্তীর উৎসব একইভাবে তারা উদযাপন করেন।
সবশেষে বলি তাদের এই রবীন্দ্রজয়ন্তীর অনুষ্ঠানটি প্রতিবছরের মতন আগামী বছরগুলোতে ও সাফল্যমন্ডিত হোক এই কামনা করি।
"সেদিন আমার জন্মদিন
প্রভাতের প্রণাম লইয়া
উদয় দিগন্ত পানে মেলিলাম আঁখি ,
দেখিলাম সদ্যস্নাত ঊষা
আঁকি দিল আলোকচন্দন লেখা
হিমাদ্রির হিমশুভ্র পেলব ললাটে"
নাচ- পৃথা ভট্টাচার্য সৃষ্টিকা ভট্টাচার্য সৈরিন্দ্রী চক্রবর্তী অনন্যা সরকার অনুভা চক্রবর্তী অর্পিতা সরকার শ্রীধাত্রী সরকার অনুষ্কা খাটিক বিদিশা ভঞ্জ সমৃদ্ধি মুখার্জি ইন্দ্রাক্সী দে সোনালী দে প্রীতি চৌধুরী প্রিশা ঘোষ জিতিকা সসিং দ্রীসানী চৌধুরী প্রত্যাশা দাস
উদ্বোধন- শম্পা চক্রবর্তী ও কচিকাচারা
গান- সুমিতা ভট্টাচার্য কৃষ্ণা ভট্টাচার্য রাখি সরকার লাকি চক্রবর্তী স্বপ্না চক্রবর্তী অমলেশ চৌধুরী রত্নদ্বীপ ভট্টাচার্য তমগ্ন দাস চন্দন দাস
আবৃত্তি- কৌশালি সেন পূজা মুখার্জী সুমিতা ভট্টাচার্য
এছাড়া রঙ্গশীর্ষ-এর নতুন একটি নাটক 'রোগের চিকিৎসা' উপস্থাপন করা হয়। অভিনয় ছিলেন চিরঞ্জিত বারুই রত্নদ্বীপ ভট্টাচার্য পৃথা ভট্টাচার্য প্রীতি চৌধুরী মনোজিৎ মিত্র।
তাদের এই রবীন্দ্রজয়ন্তীর অনুষ্ঠানটি প্রতিবছরের মতন আগামী বছরগুলোতে ও সাফল্যমন্ডিত হোক এই কামনা করি। মোবাইল টিভি থেকে বেরিয়ে মানুষজন এইভাবেই নিজেদের শিল্প-সংস্কৃতিকে সবার সামনে তুলে ধরুক ও রঙ্গশীর্ষ-এর এই প্রচেষ্টা যুগ যুগ ধরে চলুক।