বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন, ২০২৪

সমকালীন সংস্কৃতির সমকালের নাটক "সুভদ্রারা"

   23/06/2024 সমকালীন সংস্কৃতি আয়োজিত নাট্য সন্ধ্যায় তাদের প্রযোজিত দুটি অসাধারণ নাট্য প্রযোজনার সাক্ষী হয়ে রইলাম. প্রথম নাটক তাদের নবনাট্য "সুভদ্রারা" এবং দ্বিতীয় নাটক "কণ্ঠরোধ". দুটি নাটকেরই সময়সীমা এক ঘন্টা. মঞ্চ, নাটক ও নির্দেশনা - সুদীপ্ত সরকার, আলো- সৈকত মান্না. দৈনিক সংবাদপত্রের ছোট্ট একটি খবর থেকে "সুভদ্রারা" নাটকটি নির্মাণের বিষয় মাথায় আসে নির্দেশকের. বর্তমানে তরুণ থেকে বয়োজ্যেষ্ঠ বেশিরভাগ মানুষই স্মার্টফোনের দ্বারা আসক্ত. সমাজ মাধ্যমে ( Social Media) নিজেকে প্রকাশ করার তাগিদে অনেকেই জ্ঞানত বা অজ্ঞানত শালীনতার সীমারেখা অতিক্রম করে ফেলছেন শুধুমাত্র ফলোয়ার্স বাড়ানোর জন্য, বেশি করে লাইক এবং কমেন্ট পাওয়ার জন্য. অর্থ রোজগারের এই ভিন্ন পথে কেউ কেউ হয়তো সাফল্যের স্বাদ পাচ্ছেন কিন্তু অধিকাংশই বিলীন হয়ে যাচ্ছেন সময়ের চোরা স্রোতে. নিম্নগামী রুচিবোধ, অনেকেই অশালীন ট্রোলের শিকার, তবু অল্প সময়ে ধনী হয়ে ওঠা অলীক স্বপ্নের উন্মাদনায় ক্রমশ বিকারগ্রস্থ হয়ে উঠছে আজকের সমাজ. সুভদ্রার মত অনেক মেয়েদের স্বপ্ন অকালে বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে. স্বাধীনতার স্বাদ আস্বাদনের আগেই অনেকেই হারিয়ে যাচ্ছে সময়ের অতল গহবরে. এরকমই একটি সত্য কাহিনী নির্ভর নাটক, সমাজকে সজাগ করা নাটক, সমকালীন সামাজিক অবস্থাকে তুলে ধরার নাটক "সুভদ্রারা". হারিয়ে যাওয়া হাজার হাজার নারীর যন্ত্রণার কথা তুলে ধরার নাটক "সুভদ্রারা".



        নাট্য ভাবনা এবং নির্দেশনা, সমগ্র নাটক জুড়ে আলোর ভাবনা, মঞ্চ নির্মাণ প্রশংসনীয়, কিন্তু নাটকের কয়েকটি অংশে আলো জার্ক হলেও অতটা প্রকাশ পায়নি. সংগীত পরিচালনা- অনিন্দ্য চক্রবর্তী, কোরিওগ্রাফি- ঝুমা চক্রবর্তী, আবহ- বিশ্বজিৎ দাস, আবহপ্রক্ষেপণ- শুভ্রজিৎ বসু, যন্ত্রসংগীত- সুমিত সাঁতরা, মৃত্যুঞ্জয় চট্টোপাধ্যায়, সন্দীপ ভট্টাচার্য, মঞ্চ সহায়ক- অজিত রায়, রূপসজ্জা- অসীম কুণ্ডু, মঞ্চ উপকরণ- অনিন্দ্য মুখার্জী, সুমন দাস, ব্যবস্থাপনা- দীপেন কান্তি আচার্য. 

          চরিত্র অভিনয়- সুভদ্রা- তৃষা চক্রবর্তী, মধু- সুমন দাস, ঝুমুর- অপর্না দাস, সুজিত- দেবপ্রসাদ ঘোষ, মা- তনিমা দাস সরকার, শংকর- অনিন্দ্য চক্রবর্তী, দেবেন- অনিন্দ্য মুখার্জী, জনৈক/মলয়- শুভ্রজিৎ বসু , কোরাস- দীপাঞ্জন গাঙ্গুলী, অমিতাভ প্রামানিক, বনশ্রী কর, অলিপর্ণা দণ্ডপাঠ, সৃষ্টি মিত্র, সুমিত সাঁতরা, দিপসা চ্যাটার্জি, অনিন্দ্য মুখার্জী, দেবপ্রসাদ ঘোষ, প্রসেনজিৎ মন্ডল, মিত্রা দাস, সুমন দাস. এই নাটকটির প্রথম মঞ্চায়ন হওয়া দরুন অভিনয়ের বেশকিছু জায়গায় খামতি রয়েছে, কয়েকজন অভিনেতা অভিনেত্রী পুরনো ধাতের অভিনয়ের প্রকাশ পেল. মায়ের চরিত্রে যিনি অভিনয় করলেন তার আঙ্গিক, বাচিক এবং সম্পূর্ণ চরিত্রে অভিনয় আধুনিক এবং সাবলীল লাগলো. এই নাটকটি স্বচক্ষে দেখা এবং সম্পূর্ণ রিভিউ করার পাশাপাশি একজন অভিনেতা, নির্দেশক, এবং নাট্যালোচক হিসেবে আমি বলতে পারি এই নাটকটির যথেষ্ট গভীরতা এবং যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে...

----------------বিশাল ভট্টাচার্য

রবিবার, ১৬ জুন, ২০২৪

কাঁকিনাড়া শিল্পাঙ্গন নাট্য সংস্থার দশম বর্ষপূর্তি

 কাঁকিনাড়া শিল্পাঙ্গন নাট্য সংস্থার দশম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজন করা হয় ২ দিন ব্যাপী প্রযোজনা ভিত্তিক নাট্য কর্মশাল ২০২৪ থিয়েটার মগজ পত্রিকার সহযোগিতায় মাদরাল রবীন্দ্রপল্লী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২৫ শে মে থেকে ২৬ শে মে পর্যন্ত ১৩ জন শিক্ষার্থীকে নিয়ে..প্রশিক্ষক হিসাবে  ছিলেন কাঁকিনাড়া শিল্পাঙ্গন নাট্য সংস্থার কর্ণধার শ্রী রাজা দে, ২ দিনে মাইম,  অভিনয়, বডি মুভমেন্ট, নৃত্য, ভয়েস, সংগীত সকল বিষয়ই শিক্ষার্থীদের কাছে উন্মুক্ত করার প্রচেষ্টা করা হয় এবং ২৮ শে কাঁকিনাড়া শিল্পাঙ্গন নাট্য সংস্থার দশম জন্মদিনে সকল শিক্ষার্থীকে সার্টিফিকেট প্রদান করা হয় কাঁকিনাড়া শিল্পাঙ্গন নাট্য সংস্থার পক্ষ থেকে।  ২৮ শে মে কাঁকিনাড়া শিল্পাঙ্গন নাট্য সংস্থার দশম জন্মদিন উদযাপন হয় নাট্য কর্মশালা শেষে।  বিকেলবেলে বিদ্যালয় সেজে ওঠে। প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করে নাট্যকার নাট্য গবেষক ড. অপূর্ব দে ও নাট্যকার  শ্রী সৌমেন পাল । সময় বয়তে থাকে নাট্য সেমিনারের মধ্যে দিয়ে। ❝নাট্য চর্চায় নাট্য কর্মশালাগুলির গুরুত্ব❞ এই বিষয়ের উপর বক্তব্য রাখেন দুই বক্তা নাট্যকার, নাট্য গবেষক ড. অপূর্ব দে ও নাট্যকার শ্রী সৌমেন পাল । কর্মশালাতে ভিত্তিতে তৈরী একটি নাটক পরিবেশন করে কর্মশালার শিক্ষার্থীরা। সহজ সরলভাবে করা বিষয়ের প্রাসঙ্গিকতায় নাটক যা দর্শকদের কাছে মনগ্রাহী হয়েছে  এবং শেষে পরিবেশিত হয় সুকথা বাচিক সংস্থার ❝শ্রুতি নাটক❞। একটি মনগ্রাহী প্রযোজনা। সংস্থাকে অভিনন্দন জানাতে উপস্থিত ছিল দুই সমাজসেবী সংস্থা "স্বপ্নচূড়া" এবং "ইছাপুর স্পন্দন"। কর্মশালার শিক্ষার্থী দিয়ার কন্ঠে গান সকলের অনুভূতি স্পর্শ করে। দুই খুদে গোবিন্দ ও বিহুর কবিতা মন জয় করে। শেষে কেকের মাধ্যমে মিষ্টিমুখ করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়..কাঁকিনাড়া শিল্পাঙ্গন নাট্য সংস্থার কর্ণধার রাজা দে জানান - ❝ আমারা চেয়েছি শিক্ষার্থীদের কাছে প্রত্যেকটি বিষয় পৌঁচ্ছে দিতে। যাতে শিক্ষার্থীরা থিয়েটারের প্রতি আগ্রহী হয়।।❞ এমন উদ্যোগ বারবার অনুষ্ঠিত হোক। সাধুবাদ জানাই আমরা কাঁকিনাড়া শিল্পাঙ্গন নাট্য সংস্থার এমন উদ্যোগকে।








বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন, ২০২৪

কোলকাতা রঙ্গশীর্ষের 'রবি স্মরণে' ২০২৪

 সেদিন আমার জন্মদিন

প্রভাতের প্রণাম লইয়া 

        উদয় দিগন্ত পানে মেলিলাম আঁখি,

 দেখিলাম সদ্যস্নাত উষা 

            আঁকি দিল আলোক চন্দন লেখা

            হিমাদ্রির হিম শুভ্র পেলব ললাটে"

   ( ১৯৪১ ,২১ শে ফেব্রুয়ারি, উদয়ন - সকাল)


             উপরের কাব্যটি কবি জীবনের অন্তিম পর্বে এসে লেখেন ...কবিতাটি "জন্মদিনে" কাব্যগ্রন্থের লেখা মনে করা হয় গুরুদেব হয়তো বুঝেছিলেন এই জন্মদিন তার শেষ জন্মদিন। তাই ১৯৪১ সালে একুশে ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে রাত জন্মদিন নিয়ে কিছু কবিতা লিখে গেছেন।

     ঠিক তাই ১৯৪১ এর পর কবি তাঁর জন্মদিন দেখে যেতে পারেননি। কিন্তু সমাজ বা গোটা দেশ ১৬৪ বছর ধরে কবির জন্মতিথি পালন করে চলেছে। কারণ রবীন্দ্রনাথ মানুষের কাছে বিশেষ করে বাঙালি হৃদয়ে স্থান করে আছেন। আমাদের মতন অনেক মানুষ রবীন্দ্রনাথ যাপন করেন... রবীন্দ্রনাথ মানুষকে ইনটক্সিকেটেড করে তোলে। ছেলেবেলা থেকে আমরা নিয়ম করে প্রতিবছর এই ২৫শে বৈশাখ অর্থাৎ রবীন্দ্রজন্মতিথি পালন করে আসছি তেমনি প্রতিবছরের ন্যায় এই বছর ৮ই মে ২০২৪ বুধবার "কোলকাতা রঙ্গশীর্ষ" রবীন্দ্রজয়ন্তী অনুষ্ঠান এর আয়োজন করে... অনুষ্ঠানটির একটি নামকরণ করা হয় এবছর ছিল "রবি -স্মরণে" তাছাড়া আরেকটি বিশেষভাবে লক্ষ্যণীয় এই রবীন্দ্র সন্ধ্যা একটি থিমের উপরে করা হয়ে থাকে। সেটি প্রতিবছরের রঙ্গশীর্ষ করে থাকে। এই বছরের রবীন্দ্র সন্ধার চিত্র ছিল হলুদ ও সবুজ। 

     সবুজ এক কথায় শ্যামল যা প্রকৃতির কথা বলে আমরা জানি কবি একজন প্রকৃত প্রেমী ছিলেন। আর হলুদ এখানে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে, "যেমন সবুজ গাছের ডালে ডালে সুগন্ধি হলুদ ফুল" 
আরও সবচেয়ে আনন্দের কথা এই রবীন্দ্র সন্ধ্যায় ৮ থেকে ৮০ বছর সকল বয়সী মানুষ এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন।
      প্রতিবছর "কোলকাতা রঙ্গশীর্ষ" এই দিনটিতে সকল মানুষকে এই সুযোগ দিয়ে থাকে। তাতে সকলে আনন্দের সহিত যোগদান করে থাকে... প্রতিবছর নাচ, গান, আবৃত্তি ,নাটক ও রবীন্দ্রনাথ সম্পর্কিত কিছু কথা বলে থাকে। এ বছরও ঠিক সেইরকম একই নিয়মে রবীন্দ্র জয়ন্তী পালিত হল । 
    প্রতিবারের মতন আমারও সুযোগ হয়েছিল এ বছর কবিকে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করার। সকলে মিলে আনন্দের সহিত এক রবীন্দ্রজন্মতিথি পালন হয়... এই সুন্দর স্বর্ণালী সন্ধ্যা সকলের কাছে মূল্যবান হয়ে রইল...
    ধন্যবাদ জানাই "কোলকাতা রঙ্গশীর্ষ"কে.... আশা রাখি প্রতিবছর তারা এই রবীন্দ্রজয়ন্তী পালন করবেন। সাথে আমাদেরকেও আনন্দ ও সুন্দর মুহূর্ত কাটানোর সুযোগ করে দেবে।


                             নমস্কার, 
                        পূজা মুখার্জি
                            ( ছাত্রী ) টেগোর রিসার্চ ইনস্টিটিউট


শনিবার, ১ জুন, ২০২৪

কথা নাট্য সংস্থার উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো মাতলা নাট্য উৎসব-২০২৪

 

গত ১৯শে মে ফুলমালঞ্চ কথা নাট্য সংস্থার উদ্যোগে সুন্দরবনের ক্যানিংএ অনুষ্ঠিত হলো মাতলা নাট্য উৎসব-২০২৪ 

এই উৎসবের শুভ সূচনা করেন শিক্ষারত্ন পুরস্কার প্রাপ্ত শিক্ষক শ্রী অমল নায়েক। ড্রাফার পারফর্মিং গ্রুপ প্রযোজনা "বৃহন্য চেতন" রচনা ও নির্দেশনা কৌশিক ভট্টাচার্য্য। দমদম শিল্পাঙ্গন প্রযোজনা "চেম্বারে কেলেঙ্কারি" রচনা ও নির্দেশনা অজয় কুমার গাইন এবং আয়োজক সংস্থার প্রযোজনা "জল জঙ্গল জনবসতি" রচনা মলয় ঘোষ নির্দেশনা গনপতি নস্কর। নাটক গুলি মঞ্চস্থ হয়। এদিন দর্শক আসন থেকে জোরালো দাবি ওঠে "বৃহন্য চেতন" নাটক টি পুনরায় মঞ্চস্থ করতে হবে। অভিনেতা কৌশিক ভট্টাচার্য্য বলেন আমরা মানুষের জন্য থিয়েটার করি। মানুষ যখন চাইছে "বৃহন্য চেতন" আবার মঞ্চস্থ হবে। দর্শকদের থেকে আরও দাবি ওঠে প্রতিবছর নাট্য উৎসব করতে হবে। আয়োজক সংস্থার পক্ষ থেকে শিল্পা দাস জানান দর্শকদের দাবি মতো আমরা প্রতিবছর এখানে এই রকম নাট্য উৎসব করব।



কাঁকিনাড়া শিল্পাঙ্গন নাট্য সংস্থা পালন করলো রবীন্দ্রজয়ন্তী

রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর আপামর বাঙালির মনে প্রাণে, এই আন্তরিকতায় মুহুর্ত যাপনে কাঁকিনাড়া শিল্পাঙ্গন নাট্য সংস্থা পালন করলো রবীন্দ্রজয়ন্তী উদযাপন ২০২৪ রবীন্দ্রপল্লী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গত ১২ই মে ২০২৪। সহযোগিতায় 'থিয়েটার মগজ পত্রিকা'। দলের সদস্য ও বন্ধুজন সুস্মিতার তুলির টানে সেজে ওঠে মঞ্চ। উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ সকলে গুরুদেবের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য এবং প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে শুভ সূচনা করা হয় অনুষ্ঠানের । উপস্থিত ছিলেন সংগঠক কবি প্রদীপ সরকার, সঞ্চালক শোভন ঘটক, বাচিক শিল্পী মৌমিতা শীল মজুমদার, বাচিক শিল্পী সঙ্গীতা রায় মহাশয়া। কাঁকিনাড়া শিল্পাঙ্গনের সকল সদস্য ও অন্যান্যরা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য জ্ঞাপন করে শুরু করে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। নৈহাটি উৎসুকের গানের ডালি দিয়ে অনুষ্ঠানের সুর বাঁধা শুরু হয়, কাঁকিনাড়া শিল্পাঙ্গন নাট্য সংস্থা পরিবেশন করে তিন তিনটি উপস্থাপনা - রাজা দে'র নির্দেশনায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটদের নাটক 'ছাত্রের পরীক্ষা' ও গুরুদেবের অনেকগুলি নাটকের কোলাজ করে 'রবিযাপন' ও সৌরভ ভট্টাচার্যের নির্দেশনায় শ্রুতি নাটক 'পোষ্টমাস্টার' ও উপস্থিত ছিল নৈহাটি শ্রুতিরূপ বাচিক সংস্থা তারা সকলকে ছন্দ তাল-কন্ঠে মাতিয়ে রাখে, নৈহাটি সেমন্তী পরিবেশন করে শ্রুতি নাটক নিস্কৃতি, ছোট্ট গোবিন্দের ছড়া থেকে ছোট্ট বিহু ও তুলির নৃত্য সকলকে মনমুগ্ধ করে, সঙ্গে ব্রজগোপাল কর্মকারের সঙ্গতে রুদ্রপ্রিয়ার কন্ঠের রবীন্দ্র সংগীত সকলকে বেঁধে রাখে। দিয়ার রবীন্দ্রগানে নুপুরের ঝংকার যেন সেদিন অন্য মাত্রা এনে দিয়েছিল উপস্থিত সকল দর্শকের মনে। এলাকার ছোট্ট শিশুরা খুবই সরলভাবে তাদের ভালোবাসা জানায় বিশ্বকবির উদ্দেশ্যে। কাঁকিনাড়া শিল্পাঙ্গন নাট্য সংস্থার ছোটদের নাটক শ্রুতি নাটককে সকলকে মাতিয়ে রাখে। তাইতো ইতি হয়েও হয় না ইতি, এইতো মোদের পরিচিতি। কাঁকিনাড়া শিল্পাঙ্গন নাট্য সংস্থার কর্ণধার রাজা দে জানান - ❝এলাকার মানুষের মধ্যে সাংস্কৃতিক পরিধি বৃদ্ধি করা আমাদের দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টা তারই বহিঃপ্রকাশ এই রবীন্দ্রজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠান।।❞