কাঁকিনাড়া শিল্পাঙ্গন নাট্য সংস্থার আয়োজনে ও পশ্চিমবঙ্গ নাট্য আকাদেমির সহযোগিতায় হয়ে গেল ৬ দিন ব্যাপী নাট্য কর্মশালা মাদরাল রবীন্দ্রপল্লী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২৩ শে মে থেকে ২৮শে মে পর্যন্ত ২০ জন শিক্ষার্থীকে নিয়ে। প্রশিক্ষক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মাইমে শুভেন্দু মুখোপাধ্যায়, লাইট ডিজাইনার কৌশিক পৈলান, অভিনয়ে কল্যাণব্রত ঘোষ মজুমদার, বিশ্বজিৎ দাস, নৃত্যশিল্পী দেবলীনা চট্টোপাধ্যায়, নির্দেশক অদ্রিজা দাসগুপ্ত, মিউজিকে পার্থ সারথি দাস ।
৬ দিনে মাইম, অভিনয়, বডি মুভমেন্ট, নৃত্য, ভয়েস, সংগীত সকল বিষয়ই শিক্ষার্থীদের কাছে উন্মুক্ত করার প্রচেষ্টা করেছেন এবং শেষ দিন সকল শিক্ষার্থীকে সার্টিফিকেট প্রদান করা হয় কাঁকিনাড়া শিল্পাঙ্গন নাট্য সংস্থার পক্ষ থেকে। শেষ দিন ২৮ শে মে কাঁকিনাড়া শিল্পাঙ্গন নাট্য সংস্থার নবম জন্মদিন উদযাপন হয় নাট্য কর্মশালা শেষে। বিকেলবেলে বিদ্যালয় সেজে ওঠে। প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করে নাট্যকার নাট্য গবেষক ড. অপূর্ব দে ও নাট্য সমালোচক শ্রী রঞ্জন গঙ্গোপাধ্যায়। সময় বয়তে থাকে নাট্য সেমিনারের মধ্যে দিয়ে।
রবীন্দ্র নাট্যের প্রাসঙ্গিকতা বিষয়ের উপর বক্তব্য রাখেন দুই বক্তা নাট্যকার, নাট্য গবেষক ড. অপূর্ব দে ও নাট্য সমালোচক শ্রী রঞ্জন গঙ্গোপাধ্যায়। রুদ্রপ্রিয়ার কন্ঠের সুরে ও ব্রজগোপাল কর্মকারের শ্রীখোলের তালে তৈরী হয় মুহুর্ত। কর্মশালাতে ভিত্তিতে তৈরী একটি নাটক পরিবেশন করে কর্মশালার শিক্ষার্থীরা এবং শেষে পরিবেশিত হয় দিলখুশ প্রযোজিত নাটক জ্বালাতনের অপেরা। নির্মাণ সব্যসাচী ও সৌমি। একটি মনগ্রাহী প্রযোজনা।
শেষে কেকের মাধ্যমে মিষ্টিমুখ করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়। কাঁকিনাড়া শিল্পাঙ্গন নাট্য সংস্থার কর্ণধার রাজা দে জানান - " আমারা চেয়েছি শিক্ষার্থীদের কাছে প্রত্যেকটি বিষয় পৌঁচ্ছে দিতে। যাতে শিক্ষার্থীরা থিয়েটারের প্রতি আগ্রহী হয়।।" এমন উদ্যোগ বারবার অনুষ্ঠিত হোক। সাধুবাদ জানাই আমরা কাঁকিনাড়া শিল্পাঙ্গন নাট্য সংস্থার এমন উদ্যোগকে।



কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন