গত ২৭ শে অক্টোবর ২০২৪ এ নৃত্যবালুর রিহার্সাল স্পেসে, কাঁকিনাড়াতে হয়ে গেল কাঁকিনাড়া শিল্পাঙ্গন নাট্য সংস্থা ও থিয়েটার মগজ পত্রিকার আয়োজনে ও নৃত্যবালুর সহযোগিতায় বিজয়া সম্মেলনী। এমনই এক আড্ডার মুহুর্ত তৈরী হল সংস্কৃতির মাধ্যমে। সুর-ছন্দ-কবিতা-কথা নিয়ে ছিল জমজমাট আড্ডা যেমন কাঁকিনাড়া শিল্পাঙ্গন নাট্য সংস্থার বিশ্বাস শিল্প সংস্কৃতি জীবনের জন্য, জীবনের পক্ষে এই অবস্থান থেকেই। কাঁকিনাড়া শিল্পাঙ্গন নাট্য সংস্থার এই নিরন্তর শিল্প চর্চার ধারাবাহিকতার-ই ধারা বহন করলো বিজয়া সম্মেলনী। দলের সকলে, এলাকা এবং এলাকার বাইরের বহু বিশিষ্টজন উপস্থিত ছিলেন এই আড্ডায়। মুহুর্ত সেজেছিল ছন্দ তালে আর সংলাপের আসরে। দলের ছোট বড় সদস্যদের হাতে সেজে উঠেছিল সমগ্র ঘর । আলোর ঝকমকিতে। আগুনের পরশমণি গানের মাধ্যমে সন্ধ্যার শুভারম্ভ হয় বিজয়া সম্মেলনীর ঘরোয়া আড্ডা । সন্ধ্যা গাঢ় হতে থাকে শিল্পী হরিদাস অধিকারী লোকসংগীত ও আমাদের আধুনিক ও প্রচলিত গানে এবং ব্রজগোপাল কর্মকারের তাল ছন্দে। সুরের জাদুতে সকলেই মেতে ওঠে। বিজয়ার স্বাদ পাল্টাতে থাকে নৃত্যে। নৃত্যবালুর খুদে সদস্য সুরভি মন ভরায় সকলের। মাননীয় সঞ্চালক শোভন ঘটক ও কৃষ্ণ বর্মন তাদের মূল্যবান বক্তব্য রাখেন বিজয়ার তাৎপর্য নিয়ে । ত্বন্বী রায় পাঠক ও নৃত্যবালু সংস্থার কর্ণধার অর্পিতা দাসের নৃত্য ভালোবাসা ছড়িয়ে দেয়। দলের সদস্য গোপাল, জয়ন্তীর কবিতা পাঠ ও নৃত্যে আরো রঙ ছড়িয়ে দেয়। আর দুই খুদে সদস্য বন্ধু গোবিন্দ ও অদ্রিজিৎ এর কবিতা সকলের মনকাড়ে। এভাবেই জমজমাটি সন্ধ্যে কাটতে থাকে। সর্বশেষে কাঁকিনাড়া শিল্পাঙ্গন নাট্য সংস্থার বন্ধুজন মৃত্তিকা মালাকার, সুস্মিতা মুখার্জির ও আরো অনেকের গানে গানে সুরে সুরে আসর জমায়। বিজয়ার মিষ্টি মুখ দিয়ে অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি ঘটে।